যদিও মণ্ডপে রোজই

যদিও মণ্ডপে রোজই আমাদের দেখা যায়
অগ্রগামী মুখ্যতর কাজের বিষয়ে
তবুও ছুঁচো’রা খুঁড়ে আমাদের রসে প্রবঞ্চিত
মূল এই মৃত্তিকায় নহে

জীবনেচ্ছু কোন প্রাণ পৃথিবীতে
মৃত্তিকার সন্ধি ছাড়া পায় পরিত্রাণ?
কেউ-বা রাখুক জেনে: কোনও এক স্থলে আছে
শূন্যের ভিতরে উদ্যান

সেইখানে আমাদের কর্মাধ্যক্ষ— ঘণ্টার ধ্বনি—
আমাদের হৃদয়ের পরম পুরুষ
ঢের মৃত পাখি গিয়ে ব’সে থাকে— অপরূপ
আমাদের পেয়ালায় মুর্গি’র জুস

রেখে যায়;— আমরা কী চাই তবে?
পাখির গভীর রূপ গোধূলির পরলোক ঘিরে
যখন পানীয় খাদ্য নিঃশেষিত ক’রে
দার্শনিক তত্ত্ব জেগে উঠেছে শরীরে।

Comments

সর্বাধিক পঠিত কবিতা

যত দূর চোখ যায়

তবুও সে আসবে না আর

পটভূমির ভিতরে গিয়ে

যাত্রী

প্রার্থনা

ভাঁড়ের মৃত্যু: ১৯৩৬

সূর্য রাত্রি নক্ষত্র

পটভূমি

এইখানে প্যাকাটির মতো

আকাশের চাঁদ