মৃত্যু শুধু

ক্রমেই রচনা ক’রে মৃত্যু শুধু
অবিমৃষ্যকারিতার জোরে
মানুষ সম্পূর্ণতর সফলতা পেয়ে গেল ক্রমে
অবশেষে হাতের ভিতরে

নিটোল ফলের মতো
মৃত্যু আর জীবনের সংমিলন পেয়ে
হৃদয়ের তিক্ততার মাত্রা বেড়ে গেলে
কাঁচ কেউ পায় না ক’ শীতল জলের গ্লাস চেয়ে

সংগঠন করেছে মানুষ তার নক্ষত্রকে
অগ্নি— বায়ু— অমায়িক মহাভূতদের
চাঁদ, সূর্য, মহিলার মুখ, শিশু— লাঞ্ছনের মতো
প্রতিভাত ছবি হলো স্বচ্ছ দর্পণের

পারদ-সংযুক্ত ঘন দর্পণের
সেই এক কঠিন বিস্ময়
সৃষ্টিকে সুরসিক মনীষীর
অধিগত চক্রান্তের মতো মনে হয়

চকিতে তির্যক ভাবে মুকুরকে ধ’রে
সূর্যের ভিতর থেকে সোনালি অগ্নিকে
যখন বিম্বিত করি কোনও এক প্রণয়ীর
কিংবা কোনও মেধাবীর অবহিত জন্তুর মুখে

তখন মুকুর,— আমি,— বিম্বিত আলোক
আর সেই মনস্বীর মুখ
ঘড়ির ঘণ্টার সাথে শূন্য হয়ে গেলে
তবু আমাদের খেলা আবার চলুক

যদি প্রয়োজন হয়— ঘুমের ভিতরে বিম্বে—
অথবা মৃত্যুর পরে— কোনও স্থান খুঁজে
জ্যোৎস্নার নিবিড় রৌদ্রে— ফিডিয়াস—
কিংবা এক ভারতীয় ভাস্করের মনস্বী গম্বুজে।

Comments

সর্বাধিক পঠিত কবিতা

যত দূর চোখ যায়

তবুও সে আসবে না আর

পটভূমির ভিতরে গিয়ে

ভাঁড়ের মৃত্যু: ১৯৩৬

সূর্য রাত্রি নক্ষত্র

পটভূমি

যাত্রী

আকাশের চাঁদ

প্রার্থনা

এইখানে প্যাকাটির মতো