এখন তা হলে চলো

এখন তা হলে চলো নরকের প্রধান বিবরে
সে-দেশ কেমন আমি জানি
তোমাকে জানাতে চাই, রানী
কেন-না সকলই শুদ্ধ হয়ে যায় অগ্নির স্তরে
দু’ হাতে গভীর বাঁশি তুলে নিয়ে বেলুনের মতো
দু’ গাল ফাঁপায়ে দেব আমি
আমরা নিরয়ে যাব ব’লে অগ্রগামী
মানুষেরা পিছু হ’টে করুণাবশত
চ’লে যায় হরিণের হরিণীর ডাকে
সেখানে অগণ্য কুকুর সমস্বরে
(মৃগয়ার রক্তে মেতে থাকে)
চেঁচায়ে চশম খেতে দিয়েছিল কাকে।

Comments

সর্বাধিক পঠিত কবিতা

যত দূর চোখ যায়

তবুও সে আসবে না আর

পটভূমির ভিতরে গিয়ে

যাত্রী

প্রার্থনা

ভাঁড়ের মৃত্যু: ১৯৩৬

সূর্য রাত্রি নক্ষত্র

পটভূমি

এইখানে প্যাকাটির মতো

আকাশের চাঁদ