কোনও এক জাদুকর

কোনও এক জাদুকর আবার এ-পৃথিবীকে চেয়ে দেখে ধীরে
সৃষ্টির প্রথম জল স্ফীত হয়ে উঠিবার আগে
যেমন সে এক-দিন উঠেছিল আধো-অন্ধকার শঠতায়
তাহার চিলের দৃষ্টি দেখেছিল সময়ের উদ্বর্তনে সফেন ভূভাগে
অবশেষে মানুষের জন্ম হবে এক-দিন।

মানুষের জন্ম হল।

চারি-দিকে বলয়িত সমতল ভূমি
বৃশ্চিকের দাগে কেটে এখনও সে ছুটিতেছে প্রবল পথিক
মাথার উপরে সূর্য যেন এই দ্রুতগতি প্রেতাত্মার সমসাময়িক
চির-দিন। কোথায় রয়েছে বেগ, হে মায়াবী, জ্যোতিষ্ক, চিলের ডানা, ছাগলের খুরে
মানুষের এই অগ্র-ধাবমান প্রতিভার আগে যাবে উড়ে
ব্রাহ্মী অক্ষরের মতো তাকে অন্ধকার শিলালিপি জুড়ে
বলিবে নিরস্ত হতে।
অথবা গোবির অগ্নি, মহাসমুদ্রের জ্যোতি আমাদের ধবল কঙ্কালে
যেই স্বর্ণ বালুরাশি ঢেলে দেবে কোনও এক-দিন
আমরা সকলে সেই দূর সৌরকরোজ্জ্বল ব্যাপ্তির অধীন।

Comments

সর্বাধিক পঠিত কবিতা

যত দূর চোখ যায়

তবুও সে আসবে না আর

পটভূমির ভিতরে গিয়ে

যাত্রী

প্রার্থনা

ভাঁড়ের মৃত্যু: ১৯৩৬

সূর্য রাত্রি নক্ষত্র

পটভূমি

এইখানে প্যাকাটির মতো

আকাশের চাঁদ